Wellcome to National Portal
মেনু নির্বাচন করুন
Main Comtent Skiped

তিতাসের ইতিহাস

তিতাস উপজেলার পরিচিতি সংক্ষিপ্ত বিবরণী

 

উপজেলা পটভূমিঃতিতাস একটি নবগঠিত উপজেলা। কুমিল্লা জেলার দাউকান্দি উপজেলার গোমতী নদীর উত্তরাংশের ৯টি ইউনিয়নকে কর্তন করে ২০০৪ সালে এ উপজেলা গঠন করা হয়েছে। ঢাকা-চট্ট্রগ্রাম মহাসড়ক থেকে গৌরীপুর-হোমনা সড়কটি তিতাস উপজেলাকে পূর্বে-পশ্চিমে দুভাগে বিভক্ত করেছে। ঢাকা অথবা কুমিল­া থেকে গৌরীপুর বাস ষ্টেশন হয়ে গৌরীপুর-হোমনা সড়কে ৭ কিtঃমিঃ এলেই পূর্ব পাশে চোখে পড়বে নয়াভিরাম নৈর্সগিক পরিবেশে প্রকৃতির অপরূপ বিশিষ্ট তিতাস উপজেলা কমপ্লে­ক্স। কুমিল্ল­া সদর থেকে ৫৮ কিঃমিঃ এবং রাজধানী ঢাকা থেকে ৫৫ কিঃমিঃ দূরে তিতাস উপজেলার ভৌগলিক অবস্থান।

 

   নামকরণঃ  বর্তমান তিতাস উপজেলা প্রতিষ্ঠার আন্দোলন সুত্রপাত হয়েছিল প্রায় দু’যুগ পূর্বে। শুরুতে ‘‘ পীর শাহবাজ নগর ’’ থানা এবং পরবর্তীতে উপজেলা প্রতিষ্ঠার দাবী উত্থাপিত হলেও চুড়ান্ত পর্যায়ে এসে বির্তক এড়ানোর জন্য সাবেক মন্ত্রী ও এমপি ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন ‘তিতাস’ নামটি প্রস্তাব করেন। একদা বহতা নদী এতদাঞ্চলের কৃষককুলের আর্শিবাদ (বর্তমানে মৃতপ্রায়) এ উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের বুক চিরে প্রবাহমান তিতাসের নামানুসারেই এই উপজেলার নামকরণ করা হয়েছে ‘‘ তিতাস উপজেলা ’’।

 

    উপজেলার সৃষ্টিঃ২০০৪ সালের ২২ ফ্রেব্রুয়ারী অনুাষ্ঠত নিকার বৈঠকে কুমিল্ল­া জলার দাউদকান্দি উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন কর্তন করে ‘‘তিতাস উপজেলা’’ নামে ভিন্ন একটি প্রশাসনিক ইউনিট গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। একই সালের ৩০ মার্চ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্ল­ী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্থানীয় সরকার বিভাগের জারীকৃত এক প্রজ্ঞাপনে তিতাস উপজেলাকে পূর্ণাঙ্গ উপজেলা হিসাবে ঘোষণা করা হয় এবং ৪ এপ্রিল, ২০০৪ বাংলাদেশ গেজেটে অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশিত হয়।

 

  ভৌগোলিক অবস্থানঃতিতাস উপজেলা কুমিল্ল­া জেলার উত্তর-পশ্চিমে প্রায় শেষ প্রান্তে ২৩ ডিগ্রী ৪০ মিনিট পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থিত। উপজেলার দক্ষিণ ও পূর্ব পার্শ্ব দিয়ে কাঠালিয়া নদী প্রবাহিত।

 

   সীমানাঃ তিতাস উপজেলা উত্তরে হোমনা, দক্ষিণে দাউকান্দি, পূর্বে মুরাদনগর এবং পশ্চিমে মেঘনা উপজেলা দ্বারা পরিবেষ্টিত।

 

   মোট আয়তনঃ১০৭.১৯ বর্গ কিঃমিঃ